ফেসবুক হ্যাক হলে করণীয়! ফেসবুক হ্যাক হলে বুঝব কিভাবে?

Earning : ৳0.600

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয় কিভাবে? ফেসবুক একাউন্ট হ্যাকারদের কাছ থেকে ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে?

Hacked your account
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন।  ফেসবুক একাউন্ট সুরক্ষিত রাখলে হ্যাকাররা কখনো তা হ্যাক করতে পারবে না।

আমাদের চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করুন

যাদের ফেসবুক একাউন্টে সিকিউরিটি নেই তাদের ফেসবুক একাউন্ট সহজেই হ্যাক হয়ে যেতে পারে। আপনার একাউন্টটি  হ্যাক হওয়ার আগেই সিকিউরিটি দিয়ে দিন। 

বলতে গেলে ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করা অতটা সহজ না।   তাও বলা যায় না কখন কি হয়ে যেতে পারে। ফেসবুকের নির্মাতা মার্ক জাকারবার্গের আবিষ্কৃত একাউন্ট হ্যাক করা সহজ নয়। 

তিনি কম সিকিউরিটি দিয়ে ফেসবুক অ্যাপলিকেশনটি তৈরি করেন নি৷  ফেসবুক পাবেন অনেক রকম সিকিউরিটি।  সেই সিকিউরিটি সেটিং গুলো চালু করলেই আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টি আর কেউ কখনো হ্যাক করতে পারবে না।  

এছাড়াও আরো অনেক হ্যাকার আছে যারা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করে।  হ্যাকার সাধারণত তিন ধরনের। 

(১) White  hacker
(২)Black hacker
(৩)Gray hacker

(১) White hacker:

এদের কাজ হলো যেকোনো অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা ✊ রক্ষা করা।  অর্থাত এককথায় বলতে গেলে এরা ভালো হ্যাকার।  আপনারা বলতে পারেন,  হ্যাকার আবার ভালো হয় কিভাবে? 

হ্যাকারেরাও ভালো হয়।  ভালো হ্যাকারেরা সবসময় ভালো কাজগুলো করে থাকে ৷  যেমন কারো ফেসবুক/জিমেইল একাউন্টে যদি নিরাপত্তা কম থাকে তাহলে ভালো হ্যাকারেরা তাকে নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দিতে পারে,

যে আপনার অ্যাকাউন্টি অনিরাপদ রয়েছে।  আপনার অ্যাকাউন্টিতে সিকিউরিটি দিয়ে রাখুন তা না হলে আপনার একাউন্টটি হ্যাক হয়ে যেতে পারে।

(২)  Black hacker:

এদের কাজ হলো অন্যের ক্ষতি করা।কিভাবে একজনের ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করা যাবে সেটা নিয়ে চিন্তা করে।  অন্যের ক্ষতি করে নিজে কিভাবে লাভবান হওয়া যায় তারা সবসময় এই চিন্তায় থাকে।

এরা অন্যের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে তাদের ফেসবুক পেজটি নিজের দখলে নিয়ে নেয়।  তারপর সে পেজটি অন্যের কাছে বিক্রি করে দেয়।  আপনারা হয়তো অনেকেই দেখে থাকবেন অনেকেই তাদের নিজের ফেসবুক পেজ হারিয়ে তাদের কষ্ট ফেসবুকে শেয়ার করছে। 

একটা পেজ তৈরি করে ফলোয়ার ও ওয়াচ টাইম পূর্ণ করা কতটা কঠিন তা তারাই ভালো জানে।  একটা ছোট শিশুকে লালনপালন করার জন্য যে রকম পরিশ্রম হয় তার থেকে কম নয়। তো বুঝতেই পাচ্ছেন ফেসবুকে কাজ করা কতটা ঝুকিপূর্ণ। 

(৩) Gray hacker:

এদের কাজ হলো গোপনে কারে ক্ষতি করা।  বুঝাতে গেলে এরকম,  প্রকাশ্যে আপনার প্রশংসা করবে কিন্তু গোপণেই সে আপনার সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে ফেলবে ৷ 

এরা সাধারণত নিজেদের white hacker দাবি করে।  কিন্তু এরা আমাদের গোপন শত্রু। এরা লোকজনদের সাহায্য করার পরিবর্তে ক্ষতি করে থাকে। 

এরা বলবে আমি White  hacker.  কিন্তু আপনার কতোবরো ক্ষতি করবে সেটা বুঝতে পারবেন। আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি বাড়ানোর জন্য কেউ যদি আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চায়। 

তাহলে কখনোই তা দিবেন না। অপরিচিত কাউকে ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিবেন না৷  তারা আপনার ফেসবুক পেজটি হাতিয়ে নিতে পারে। 

সাবধান,  আপনার ফোনের Gmail অ্যাপটিতে অবশ্যই লক করে রাখবেন৷  আপনি যখন ফেসবুক একাউন্ট লগইন করেন তখন Save password আসে সেখানে যদি ক্লিক করেন তাহলে আপনার ফোনে থাকা জিমেইলে আপনার ফেসবুকে নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড save হয়ে থাকবে।

এছাড়াও আপনার ফোনে যতগুলো একাউন্ট খোলা থাকে সেগুলে যদি save password করে রাখেন তাহলে সমস্ত তথ্য জিমেইলে চলে যাবে।  তাই সাবধান সমস্ত বাঁচাতে চাইলে সর্বপ্রথম জিমেইল অ্যাপলিকেশনটি নিরাপত্তায় রাখতে হবে। অর্থাৎ জিমেইল অ্যাপলিকেশনটি লক করে রাখতে হবে।

এখন আসা যাক আপনারা কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখবেনঃ

ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত রাখার জন্য,  আপনি প্রথমে ফেসবুকের অফিশিয়াল  অ্যাপলিকেশনটি open করেন। সেখানে ডান পাশের কর্ণারে ।

এরকম অপশন দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করবেন। নিচে scrool করে setting and privacy  অপশনে যাবেন।  তারপর setting অপশনে যাবেন৷  তারপর দ্বিতীয় অপশনে Password and security নামে একটা অপশন দেখতে পারবেন। 

সেখানে ক্লিক করবেন। আপনাী যদি মনে হয় আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে তাহলে change password  এ পাসওয়ার্ড change করতে পারবেন।

use two factor authentication এ ক্লিক করবেন।    use text message এ ক্লিক করবেন।  তারপর আপনার ফোনে থাকা নাম্বার add করে countinue তে ক্লিক করবেন ।  তাহলে আপনার সিকিউরিটি সেটিংটি অন হয়ে যাবে।  তারপর নিচে আরেকটি সেটিং রয়েছে  সেটি হলোঃ

get alert about unrecogniged loginএই সেটিংটি অন করে রাখবেন।  অন করার কারণ হলো আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নাম্বার ও পাসওয়ার্ডও যদি কেউ পেয়ে যায় তাতেও কোনো লাভ নেই। 

লগইন করলে গেলে সেই সিমে একটি six ডিজিটের কোট আসবে।  কোডটি না বসানো পর্যন্ত কেউ আপনার অ্যাকাউন্টি লগইন করতে পারবে না।

আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি আপনারা পড়েছেন। আমি সর্বদা সঠিক তথ্য দেয়ার চেষ্টা করেছি ৷ আমার পোস্টের লেখাতে যদি কোনোপ্রকার ভূল পেয়ে থাকলে অবশ্যই আমাকে কমেন্ট করবেন। 

পেজটি ফলো করো

https://www.facebook.com/Ridoy-Bloggar-105200299056253/?mibextid=ZbWKwL

নামাজ বাদ দিয়ো না বন্ধু ।  নামাজ পড়ো বন্ধু ,এপারের থেকে ওপারের জীবন অনেক সুন্দর♥️। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এ কামনায় করি।..….🥀আল্লাহ হাফেজ🥀

Related Articles
Comments

You must be logged in to post a comment.