অনলাইনে আয় করার বিশ্বাসযোগ্য ১২ টি উপায়।

আমরা প্রতিনিয়ত শুনে থাকি যে অনলাইন থেকে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়।কিন্তু তা কোথায় কিভাবে কাজ করলে টাকা হাতে পাওয়া যাবে তা সঠিকভাবে না জানাতে অনেক সময় অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়।তাই আজ আমরা জানব কি কি উপায়ে অনলাইন থেকে আয় করা যায়।

নিচে কয়েকটি অনলাইন থেকে আয় করার বিশ্বাসযোগ্য সাইটের নাম দেওয়া হলো: 

১/ব্লগিং করে অনলাইনে ইনকাম।

  1.  ব্লগিং কি

  2. ব্লগিং করে ইনকাম করতে হলে যা যা লাগবে।

  3. ব্লগিং কেন করবেন?

১/ ব্লগিং কি?

জানা অজানা বিভিন্ন বিষয় এবং সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে লেখালেখি করা ,কোন জটিল বিষয় নতুন ও সহজভাবে করা ,কিংবা নিজের মতামত প্রকাশের একটি মাধ্যম হচ্ছে ব্লগিং।মূলত ব্লগ একটি ইংরেজি শব্দ । যার আভিধানিক হলো ভার্চুয়াল ডাইরি।অথবা ইন্টারনেট ব্যাক্তিগত দিনলিপি।ইংরেজি ব্লগ শব্দটি আবার ওয়েব ব্লগ এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

ব্লগিং আর্টিকেল রাইটিং এর মধ্যেই পড়ে।ব্লগিং এর একটা অংশ আর্টিকেল রাইটিং এর মধ্য বরাদ্দ ,তবুও এর একটা আলাদা সেক্টর আছে যা থেকে প্যাসিভ ইনকাম এর রাস্তা সহজ হয়।

একটি ডিজিটাল ডিভাইস কম্পিউটার,ট্যাব,স্মার্টফোন এগুলো ব্লগিং করতে লাগবে।ইন্টারনেট কানেকশন বাংলা অথবা ইংরেজি লেখার দক্ষতা ,ইন্টারনেটের বেসিক জিনিসগুলো জানা ,যেমন কিভাবে একাউন্ট খুলতে হয় ,কিভাবে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল ও ব্যাবহার করতে হয় ।।আসলে এগুলো কোন কঠিন কাজ নয়।একটা কম্পিউটার আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে থাকলে বাকি সব বিষয় করা সহজ হবে।

ব্লগে লিখে আয় করতে হবে গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে ।ধরুন আপনি যেকোন বিষয়ের উপর লিখছেন,একজন কোন একজন ব্যবহারকারী গুগলে  আপনার টপিক লিখে সার্চ করল এবং আপনার লিখাটি প্রথমে চলে আসল ।তাহলে ভিজিটর আপনার লিখাটি সম্পুর্ন পড়ার জন্য আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে।তাহলে আপনি একটি ভিজিটর পেলেন ,আর এভাবে আপনার ভিজিটর বাড়তে থাকবে।

আপনার ওয়েবসাইটে যত বেশি লেখালেখি থাকবে তত বেশি ভিজিটর পাবেন।ভিজিটরকে গুগল তাদের এড দেখিয়ে আপনকে টাকা দিবে।আপনি যদি ভালো মানের ইনকাম করতে চান তাহলে আপনকে পরিশ্রম করতে হবে।

২/ ব্লগিং করে ইনকাম করতে হলে যা যা লাগবে।

একটি ওয়েবসাইট লাগবে।ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন এবং হোস্টিং লাগবে।কনটেন্ট লেখা,পাবলিশ করা এবং মার্কেটিং এর কাজও করতে হবে।ব্লগ অথবা ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে।আপনার ব্লগে স্পন্সরশিপ যুক্ত করতে হবে।

৩/ ব্লগিং কেন করবেন 

ধরুন আপনি একটি টপিক এর উপর কোন কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলেন ,তাহলে ঐ বিষয়ের উপর অনেকগুলো ব্লগ বা ওয়েবসাইটের লিস্ট পাবেন। যে সাইটগুলোতে গিয়ে আপনি অনেক কিছুই জানতে পারবেন। অন্যভাবে বলতে গেলে আপনি যখন কোন কিছু ভালো জানেন আবার সেগুলো যদি নিজের ব্লগ অথবা অন্য কোন ব্লগ সাইটে পোস্ট দেন তাহলে অন্যরা ওই টপিকে সার্চ করার সময় সেগুলো পাবে এবং তারা ও জানতে পারবে।

২/ আর্টিকেল রাইটিং 

  1. আর্টিকেল রাইটিং কাদের জন্য।

  2. আর্টিকেলে কি কি লিখবেন?

আর্টিকেল রাইটিং অথবা কনটেন্ট রাইটিং হতে পারে আপনার জন্য একটি সম্মানজনক পেশা মাধ্যম।অনলাইনে ইনকাম এর জন্য একটি দারুন উপায় হলো আর্টিকেল রাইটিং । আগামী বিশ্ব কনটেন্ট এর বিশ্ব,যায় কনটেন্ট জোট বেশি সে তত এগিয়ে।বর্তমানে সারা বিশ্বের আনাচে কানাচে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল এর জন্য পারিশ্রমিক দেওয়া হয়ে থাকে।তাছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট আছে ,আপনি আপনার লেখাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে আয় করতে পারবেন।আপনার যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে,তাহলে সেটার জন্য আর্টিকেল লিখে ভালো পরিমাণ আয় করতে পারবেন গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে।ব্লগ আর্টিকেল ছাড়াও সেলস পেজ,লিফলেট,ব্রশিউর,প্রতিষ্ঠার জন্য বই ইত্যাদি অন্যান্য প্রচারণা কাজী জন্য লেখকদের আর্টিকেল প্রয়োজন হয়ে থাকে।অনলাইন ভিত্তিক জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস রয়েছে ,যেখানে প্রতিদিন আর্টিকেল রাইটার এর খোঁজে বিজ্ঞাপন দেয় কলায়েন্টগুলো ।তার মানে আর্টিকেল রাইটিং এর ভ্যালু আছে এবং আগামীতে এর ভ্যালু দিন দিন বাড়ছে।

১/ আর্টিকেল রাইটিং কাদের জন্য__

আর্টিকেল রাইটিং কাদের জন্য..যারা লেখালেখি পারদর্শী ,যারা লিখতে ভালোবাসে।যারা ইংরেজি ভালো জানে তাদের আর্টিকেল লিখার কাজের অভাব নাই।ইংরেজি ছাড়াও বাংলাতে আর্টিকেল লিখে আপনার ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

আপনাকে প্রচুর অন্যর লেখা পড়তে হবে ।আপনার ধৈর্য থাকতে হবে,ইংরেজি লেখা পড়তে ও বুঝতে পারে হবে,তাহলে আপনার জন্য আর্টিকেল লেখা সহজ হবে।

২/ আর্টিকেলে কি কি লিখবেন?

লেখা শুরুর আগে টপিক সিলেক্ট করতে না পারলে তো লেখাই হবে না।তার জন্য আপনি যে বিষয় পছন্দ করেন সেই বিষয়ে লিখবেন,আর্টিকেল রাইটিং অথবা কনটেন্ট রাইটিং এর ব্যাপারে গুগলে সার্চ করলেই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার প্রয়োজনীয় উত্তর।সেখান থেকে একটা টপিক বেছে নিয়ে সেই বিষয়ে লিখতে পারবেন।

আর আর্টিকেল লিখতে হলে আপনার ধৈর্য থাকতে হবে,লেগে থাকতে হবে ,তাহলেই আপনি  খুব সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

৩/ ডিজিটাল মার্কেটিং 

বলা হয়ে থাকে যতদিন ইন্টারনেট থাকবে ততদিন ডিজিটাল মার্কেটিং থাকবে এবং দিন দিন এর চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। ডিজিটাল মার্কেটিং হতে পারে আপনার স্বপ্নের ক্যারিয়ার গড়ার অন্যতম মাধ্যম।ইনটারনেট ব্যাবহারকে পুঁজি করে ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো অথবা যেকোন ধরনের প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তি তাদের প্রচারণার কাজে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্বারা যে মার্কেটিং বা প্রচারণা করা হয় সেটাই হলো ডিজিটাল মার্কেটিং।

অথবা আরো সহজ করে বলতে গেলে ফেসবুক বা ইউটিউবে আপনি যে বিভিন্ন ধরনের এড দেখেন সেটাই একটা ডিজিটাল মার্কেটিং এর অংশ।

ডিজিটাল মার্কেটিং এ কাজের ক্ষেত্রগুলো অনেক ।

  1. এস ই ও
  2. এস ই এম
  3. ইমেইল মার্কেটিং 
  4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 
  5. ভিডিও মার্কেটিং 
  6. কনটেন্ট মার্কেটিং 
  7. এফিলিয়েট মার্কেটিং 

১/ এসইও 

বর্তমান ডিজিটাল কনটেন্ট এর বাজারে মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে এসইও খুব গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে এবং আগামীতেও পালন করবে।এসইও আপনার ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন যেমন গুগল,বিং,ইয়াহু অথবা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে প্রদর্শন করে থাকে।সার্চ রেজাল্ট এবং আপনার কনটেন্ট অপটিমাইজেশন এর উপর নির্ভর করে।পৃথিবীর সব ওয়েবসাইট এর এসইও সার্ভিস দরকার আছে।আপনি এস ই ও এর কাজ শিখে এই ধরনের সার্ভিস দিতে পারেন 

২/ এসইএম 

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং একটি মার্কেটিং কৌশল জার মাধ্যমে আপনার ব্যাবসা এবং ট্রাফিক বেশি হয়।সেটা সাধারণত পেইড সার্চ মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে।আপনি যদি এখন অনলাইন মার্কেটার হতে চান,তাহলে অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং সম্পর্কে দক্ষ জ্ঞান থাকতে হবে।এতে আপনার সুবিধা হলো আপনি সম্পুর্ন সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর সুবিধাগুলো গ্রহণ করতে পারবেন। 

৩/ ইমেইল মার্কেটিং 

প্রায় সব ধরনের অফিসিয়াল যোগাযোগ ইমেইল এর মাধ্যমে হয়ে থাকে।আর ইমেইল এর ব্যাবহার ও অনেক বেশি।তাই ইমেইল মার্কেটিং একটি খুবই জনপ্রিয় মার্কেটিং কৌশল যা শিখে আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

৪/ সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 

বর্তমান সময়ের অন্যতম একটি মাধ্যম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া ।সোশ্যাল মিডিয়াতে সব ধরনের সব ধরনের পণ্যর প্রচারণা করে পরিচিতি পাওয়া যায়।সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জন্য অনেক সময় ও অনেক গুরুত্বপুর্ন জিনিস শিখতে হয়।যা একজন ব্যাস্ত ও সাধারণ মানুষের পক্ষে মেইনটেইন করা সহজ ব্যাপার নয়।আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে সার্ভিস প্রদান করতে পারেন আপনার আশেপাশের ব্যাবসায়ীকে অথবা আন্তরজাতিক পর্যায়ের ক্লায়েন্টদের।এভাবে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।

৫/ ভিডীও মার্কেটিং 

এখন দেখা যায় লিখিত ব্লগ এর চেয়ে মানুষ ভিডিওতে বেশি নজর দেয়।এর মানে হলো ভিডিওতে বেশি ভিজিটর ,দর্শক,শ্রোতা সবই পাওয়া যায়।তাই বর্তমান সময়ে ভিডিও মার্কেটিং একটি খুব জনপ্রিয় এবং কার্যকরী মার্কেটিং মাধ্যম।আপনি চাইলে ভিডিও মার্কেটিং এর কাজ শিখে ,নিজে ভিডিও মার্কেটিং করতে পারেন অথবা অন্য কাউকে সার্ভিস দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।

৬/ কনটেন্ট মার্কেটিং 

কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে ব্লগ ,ভিডীও চিত্র বা পিকচার এর মাধ্যমে সেই বিষয় বা বস্তুর বর্ণনা করে তা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশ করা হলো কনটেন্ট মার্কেটিং।আবার বলা যায় বিভিন্ন পণ্যর ডিজিটাল প্রচারণা হলো কনটেন্ট মার্কেটিং,ডিজিটাল বিজ্ঞাপনকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলা যায় ।আপনি কনটেন্ট মার্কেটিং এর কাজ আয়ত্ব করতে পারলে ভালো সার্ভিস সেল করতে পারবেন।

৭/ এফিলিয়েট মার্কেটিং 

বর্তমানে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনেকেই সফল হচ্ছেন।এফিলিয়েট মার্কেটিং এ তারাই সফল হবে যারা ধৈর্য সহকারে লেগে থাকে দিনরাত পরিশ্রম করে শুরুতেই লাভের কথা চিন্তা করে না।

৪/ ওয়েব ডিজাইন 

একটি ওয়েবসাইটকে দেখতে কেমন হবে এবং এর কোথায় কি থাকবে ,কিভাবে থাকবে,কি কাজ করবে এসব মিলে যে পরিকল্পনা করা হয় তাকে ওয়েব ডিজাইন বলা হয়।একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে দক্ষতার প্রয়োজন হয় তার মধ্য উল্লেখযোগ্য হলো গ্রাফিক্স ডিজাইন, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন,ফ্রন্ট - এন্ড ওয়েবসাইট ডিজাইন,সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ও ওয়েব ইঞ্জিনিয়ারিং।

ওয়েব ডিজাইন একটি জনপ্রিয় একটু পেশা।যে ব্যাক্তি ওয়েবসাইটের ডিজাইন তৈরি করে তাকে ওয়েব ডিজাইনার বলে।একজন ওয়েব ডিজাইনার নিজ দক্ষতা ব্যাবহার করে ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা চিত্রাংকন করে ওয়েবসাইট তৈরি করার পরিকল্পনা করে। 

ওয়েব ডিজাইন শিখে অনেকেই খুব ভালো করতেছে আপনি ও করতে পারবেন।তবে সবার আগে এটা ভালো করে শিখতে হবে।আপনি এটা করে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করতে পারবেন,থিম ফরেস্টে ওয়েব ডিজাইন থিম সেল করতে পারবেন,নিজের একটি ওয়েবসাইট খুলে সেখানেও ওয়েব ডিজাইন এর থিম সেল করতে পারবেন ,আবার লোকাল কোন আইটি ফার্ম এ চাকরি ও করতে পারবেন।ওয়েব ডিজাইন একটি চাহিদা সম্পন্ন ডিজাইন ,যদি এটা আপনি ভালো করে শিখতে পারেন।

ওয়েব ডিজাইন শিখতে চাইলে আপনাকে শিখতে হবে_

  • HTML
  • CSS
  • JavaScript

আপনি চাইলে আপনার পার্শ্ববর্তী ভালো কোন আইটি কোচিং সেন্টার থেকে শিখতে পারবেন।আবার চাইলে অনলাইনেও শিখতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে এর এর বেশি চাহিদা রয়েছে যে বলে শেষ করা যাবে না ।আপনি যদি একজন ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার হতে পারেন, তাহলে টাকার পিছনে আপনাকে ছুটতে হবে না,টাকাই আপনার পিছনে ছুটবে।কারণ একজন ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার এর অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে চাহিদা রয়েছে ।

৫/ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার 

  1. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে কিভাবে আয় করবেন?

  2. কোম্পানিতে ওয়েব ডেভলপার হয়ে_

  3. নিজের ডিজাইন বিক্রি করে

  4. ফ্রিল্যান্সিং করে।

আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারেন।একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম হতে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন।

১/ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে কিভাবে আয় করবেন 

আপনি একজন ভালো মানের ওয়েব ডেভেলপার হলে আপনাকে কোন চাকরি খুঁজতে হবে না।তখন বিভিন্ন আইটি কোম্পানি আপনাকে চাকরি করার জন্য অফার করবে।ওয়েব ডেভেলপমেন্টের অনলাইনে ও অফলাইনে প্রচুর পরিমাণে চাহিদা রয়েছে।

নিচের কয়েকটি উপায়ে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করে নিজের ক্যরিয়ার তৈরি করতে পারবেন_

২/ কোম্পানিতে ওয়েব ডেভলপার হয়ে 

আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হলে বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে ওয়েব ডেভলপার হয়ে চাকরিতে যোগ দিতে পারেন।একজন ওয়েব ডেভলপার বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা কাজ করে মাসে ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে চাকরির জন্য কারো দরজায় যেতে হবে না।আপনি কাজ জানলে আপনার কাজ বিভিন্ন চাকরির অফার নিয়ে আসবে।

৩/ নিজের ডিজাইন বিক্রি করে 

অনলাইনে কি পরিমাণে ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েব থিম বিক্রয় হয় সেটি থিম ফরেস্টে ভিজিট করলে আপনি পেয়ে যাবেন।থিম ফরেস্টসহ আরো বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট ডিজাইন ক্রয় করা হয়।আপনি ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে পারদর্শী হতে পারলে নিজের তৈরি ওয়েবসাইট বিক্রি করে মাসে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

৪/ ফ্রিল্যান্সিং করে 

একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপারদের বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কি পরিমাণে ডিমান্ড রয়েছে সেটি একজন ফ্রিল্যান্সার ছাড়া হয়ত কেউই বলতে পারবে না।আপনি একজন ওয়েব ডেভলপার হলে ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন।কারণ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে একটি ডিজাইন বা ডেভলপমেন্ট করে অনেক বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব হয়।।

৬/ গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে ইনকাম 

  1. গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

  2. কাদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন।

  3. গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি যোগ্যতা লাগে।

ডিজিটাল মার্কেটিং বলেন ,ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলেন আর ওয়েব ডিজাইন বলেন সব ক্ষেত্রেই কাজ করতে গেলে আপনাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিদ্যমান।যেকোন ধরনের ডিজিটাল কনটেন্ট এর জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি অন্যতম কাজ।

১/গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? 

গ্রাফিক্স ডিজাইন একটি আর্ট বা শৈল্পিক কর্মকাণ্ড ।এখানে একজন মানুষ তার মেধাকে কাজে লাগিয়ে ,তৈরি করে নিত্য নতুন সব নকশা।কম্পিউটার সফটওয়্যার এর দ্বারা একজন শিল্পী তার কল্পনা,কিছু নির্দিষ্ট তথ্য এবং মানুষের চিন্তাগুলোর সাথে যোগাযোগ করার জন্য কিছু দৃশ্যমান পিকচার তৈরি করে।আরো সহজ করে বলতে গেলে কম্পিউটার সফটওয়্যর এর মাধ্যমে চিত্র দ্বারা নকশা তৈরি করা গ্রাফিক্স ডিজাইন বলা হয়ে থাকে।

২/ কাদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইন

কাদের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়া ভালো।

অনলাইনে ইনকাম বলেন আর যাই বলেন না কেন ,যাদের অনেক ধৈর্য আছে, যারা ঘণ্টার পর ঘন্টা কম্পিউটার এর সামনে বসে বিভিন্ন বিষয় রিসার্চ করতে আগ্রহী ।যাদের মাথায় সব সময় বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ চিন্তাভাবনা আসে ,যারা আঁকা আকিতে পারদর্শী ।একটি জিনিস দেখে সেটাকে বিভিন্ন সাইট থেকে চিন্তা করতে পারে।নতুন জিনিস অথবা নতুন জিনিস তৈরি করতে ভালো লাগে। আঁকাআঁকি যদি আপনার ভালো লাগে ,তাহলে আপনি সেই প্রতিভাকে কাজে লাগাতে পারেন।

৩/ গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি যোগ্যতা লাগে 

আপনার যোগ্যতা এবং আপনার অভিজ্ঞতার উপর আপনার ইনকাম নির্ভর করে।একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে আপনার যেসব যোগ্যতা লাগবে তার মধ্য অন্যতম হলো কম্পিউটার চালানোর দক্ষতা।

আপনাকে শিখতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর জন্য ব্যাবহিত সফটওয়্যর এর কাজ।বর্তমানে সব ধরনের রিসোর্স বাংলাতে পাওয়া যায় ,তাই অনলাইনে খোঁজাখুঁজি করে কোন জিনিস জেনে নেওয়ার যোগ্যতাও আপনার থাকতে হবে।

কোন কাজগুলো গ্রাফিক্স ডিজাইন এর আওতায় পড়ে

  • Banner design 
  • Logo design
  • Photo editing 
  • Photo retouch
  • Abstract design
  • Visiting card design
  • Book cover design
  • Leaflet design
  • Brochure design ইত্যাদি

৭/ অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট 

যারা মোটামুটি প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ধারণা রাখেন ,তারা ক্যারিয়ার গড়ার জন্য অ্যাপস ডেভলপমেন্ট শিখে নিন।এটি অনুমান করা যায় যে ভবিষ্যতে এই সেক্টরটাতে কাজের অনেক সুযোগ রয়েছে।বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে এই কাজের চাহিদা মোটামুটি ভালো।ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে আপনি যদি অ্যাপস ডেভলপমেন্ট করতে চান ,তাহলে অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট এর উপর ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

৮/ ফেসবুক থেকে ইনকাম 

  1. ইন স্ট্রিম অ্যাডস এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে ইনকাম।

  2. ইন স্ট্রিম অ্যাডস ব্যাবহার করে ফেসবুকে মানিতাইজেশন করা।

মানুষ অযথা ফেসবুকে সময় নষ্ট করে।সারাদিন শুয়ে বসে মেতে থাকে চ্যাটিংয়ে কিংবা কে কবে কি পোস্ট দিলো সেটা নিয়ে।

অন্যদিকে,অসাধারণ মানুষ জানার চেষ্টা করে ,কিভাবে ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু অর্জন করা যায়।

আপনি যদি ফেসবুক নতুন হয়ে থাকেন ,তাহলে প্রথমেই আপনাকে পারসোনাল একাউন্ট এবং ফেসবুক পেজের মধ্য পার্থক্য বুঝতে হবে।আপনি যদি ফেসবুক রেজিষ্ট্রেশন করে একটা একাউন্ট খুলেন ,তবে সেটাই হবে আপনার ফেসবুক একাউন্ট।আর ফেসবুক একাউন্ট সবসময়ই আপনার নিজের ব্যাক্তিত্বের প্রতিনিধিত্ব করে।

অন্য দিকে ফেসবুক একাউন্ট থেকে নিজের ব্যাবসা বা সখী জন্য তৈরি করা প্রফ্রাইলগুলো হলো ফেসবুক পেজ।ফেসবুক পারসোনাল একাউন্ট থেকে আয় করার কোন সুযোগ নেই।ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার সকল উপায় মূলত ফেসবুক পেজ।

১/ In stream Ads এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে ইনকাম ।।

আপনি হয়ত ফেসবুক ভিডিও দেখার সময় খেয়াল করেছেন ,কিছু ভিডিও এর শুরুতে কিংবা শেষের দিকে ছোট ছোট বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।এসব বিজ্ঞাপন গুলোকে In Stream Ads বলা হয়।ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে In Stream Ads ব্যাবহার করা বেশ ভালো একটি উপায়।বর্তমানে যারা ভিডিও আপলোড করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে চাচ্ছে ,তাদের টার্গেট থাকে বিজ্ঞাপনের জন্য ফেসবুকের কাছ থেকে এপ্রুভাল আদায় করা।

২/ In Stream Ads ব্যাবহার করে ফেসবুকে মানিটাইজেশন করা।

ভিডিওতে In Stream Ads পেতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।শর্তগুলো হলো_

  • একটা ফেসবুক পেজ থাকতে হবে।
  • ফেসবুক পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ১০ হাজার বা এর বেশি হতে হবে।
  • পেজটির ভিডীও বিগত ৬০ দিনে কমপক্ষে ( ১ মিনিটের বেশি সময় যাবৎ দেখা হয়েছে)এমন থাকতে হবে ।৩০ হাজার থাকতে হবে।

শর্ত গুলো দেখে মনে হচ্ছে খুবই কঠিন।আসলে খুব একটা কঠিন কাজ নয় এটা।৩০-৫০ টা ভিডীও আগে থেকে বানিয়ে নিয়ে সেগুলো একসাথে ফেসবুকে আপলোড করলে সবগুলো ভিডিও মিলিয়ে দুই মাসে ৩০ হাজার ভিউ পাওয়া খুব কঠিন কাজ হবে না ।

৯/ পন্য বিক্রি করে ফেসবুক থেকে আয়।

ফেসবুক পন্য বিক্রি করার অন্যতম একটা মাধ্যম।আপনি চাইলে আপনার পুরাতন পুরাতন জিনিসপত্র বিক্রির জন্য ফেসবুকে ক্রেতা খুঁজতে পারেন।অনলাইনে সেকেন্ড হ্যান্ড প্রোডাক্ট ক্রয় বিক্রির জন্য বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে।সেখানে যুক্ত হয়ে আপনি পুরাতন পন্য বিক্রি করে ফেসবুকের মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।

ফেসবুকে পেজ খুলেও নতুন নতুন পন্য বিক্রি করা যায়।অনেক অনলাইন শপ আছে যারা সম্পুর্নভাবে ফেসবুক নির্ভর।এভাবে আপনি ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র বিক্রি করে আয় করতে পারবেন।

১০/ ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল প্রোগ্রামের মাধ্যমে ফেসবুক থেকে ইনকাম 

ফেসবুক প্রচুর নিউজ শেয়ার করার পেজ রয়েছে।সেগুলোতে নিয়মিত আর্টিকেল লিংক প্রচার কইরা হয়।সেগুলোর আয়ের একটি বড় উৎস হচ্ছে ফেসবুক প্রদত্ত বিজ্ঞাপন।তাদের প্রচার করা লিংকে ক্লিক করলে আর্টিকেলের পাশাপাশি আপনি দেখতে পাবেন বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেলের ছড়াছড়ি।এ সমস্ত বিজ্ঞাপন  ফেসবুক বহন করে থাকে।ওয়েবসাইটের আর্টিকেলের এই বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার এই প্রোগ্রামটির নামই হলো ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল প্রোগ্রাম ।

ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল প্রোগ্রামের মজার একটি দিক হলো এটার মাধ্যমে টাটা ইনকাম এর ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন কোথায় বসাবো টাইপের চিন্তা করতে হয় না।

১১/ ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করে ফেসবুক থেকে ইনকাম 

নিজেকে ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে গড়ে তুলে আপনি ফেসবুক একাউন্ট থেকে হাজার হাজার টাকা আয় করতে পারবেন।ব্যাক্তিগত পরিচয় কাজে লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন কোম্পানির পণ্যর মার্কেটিং করাই হলো ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং।

ফেসবুক ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার জন্য আপনাকে কোন সেলিব্রেটি হতে হবে না।শুধু নিজের প্রোফাইল বা পেজকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে।নিজের উপস্থাপন দক্ষতা না থাকলে  ইনফ্লয়েন্সার মার্কেটিং আপনার জন্য না।

ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ফেসবুক একাউন্ট বা ফেসবুক পেজ ।প্রোফাইল এবং বায়োডাটা গোছানো হতে হবে।নিজের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা সবকিছু থাকতে হবে স্পষ্টভাবে।ইনফ্লুুয়েন্সার মার্কেটিং এর জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় বাছাই করতে হবে।আপনার সকল স্ট্যাটাস বা পোস্ট হতে হবে নির্দিষ্ট বিষয়কে কেন্দ্র করে।

ফলোয়ার বাড়ানোর জন ফেসবুক নিয়মিত নির্দিষ্ট বিষয়ে কনটেন্ট শেয়ার করতে হবে। কন্টেন্ট গুলো হতে হবে আকর্ষণীয় এবং সৃজনশীল। এভাবে ফেসবুক প্রোফাইল বা পেজে ধীরে ধীরে ফলোয়ার বাড়াতে হবে।

ফলোয়ার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিংকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায। 

শুধু ফেসবুক নয় ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং করতে পারেন যেকোন সাইটে।একজন ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে ফেসবুকেই আপনি সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন।পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক।আর তাই ফেসবুকেই আপনি সবচেয়ে বেশি লাভবান হতে পারবেন।

১২/ ফ্রিল্যান্সিং জব করে ফেসবুক থেকে টাকা আয় 

অনলাইনে আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং ।এর মাধ্যমে আমরা নিজের সুবিধা মর যে কোন কাজ খুজে নিতে পারি এবং এই কাজগুলো যেকোন সময় যেকোন জায়গায় করা যায়।

ফ্রিল্যান্সিং মানেই হলো স্বধীন বা মুক্ত পেশা।আর যারা ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে যুক্ত তাদের ফ্রিল্যান্সার বলে।ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার কিছু দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এই ফ্রিল্যান্সিংকে আপনি চাইলে পার্ট টাইম অথবা ফুল টাইম জব হিসেবে বেছে নিতে পারেন।।

আপনার ফ্রিল্যান্সিং করতে প্রয়োজন হবে ইন্টারনেট কানেকশন।আর যারা আপনাকে কাজের সুযোগ দিবে তারা হলো ক্লায়েন্ট ,এই ক্লায়েন্ট আপনার প্রয়োজন হবে।

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার এর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয় ক্লায়েন্ট এর।ক্লায়েন্ট পেতে প্রয়োজন মার্কেটিং।পণ্যর মতো আপনার দক্ষতারও মার্কেটিং প্রয়োজন।

আপওয়ার্ক,ফ্রিল্যান্সার , ফাইভার এর মত ফেসবুক ও হতে পারে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যরিয়ার এর জন্য সবচেয়ে বড় মাধ্যম।ফ্রিল্যান্সিংয়ে হাজার হাজার মানুষ যুক্ত আছে এবং এর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ফেসবুক কনটেন্ট রাইটার,ফ্রিল্যান্সার বাংলাদেশ গ্রুপ,ফ্রিল্যান্সার অফ বাংলাদেশ ,সফল ফ্রিল্যান্সার ,বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার নামক ফ্রিল্যান্সিং গ্রুপ ও পেজ আছে ।আপনি এখানে নিজের দক্ষতা জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্য আপনি ক্লায়েন্ট পেয়ে যাবেন।

আবার দেখা গেছে বিভিন্ন সময় ক্লায়েন্টরা তাদের কাজের বর্ণনা দিয়ে গ্রুপে পোস্ট করে থাকে।আপনি চাইলে সেখান থেকে আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ খুজে নিতে পারবেন।

আর এক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ফেসবুক একাউন্টে লগ ইন করতে হবে।তারপর সার্চ অপশনে গিয়ে সার্চ করলে বিভিন্ন গ্রুপ পেয়ে যাবেন।সেখান থেকে ভালো করে ঘাটাঘাটি করে সেরা গ্রুপগুলো বেছে নিন।আপনার গ্রুপ বাছাই করা হয় গেলে গ্রুপে জয়েন করুন এবং গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য হয়ে উঠুন।

নিয়মিত গ্রুপে ভিজিট করুন।ধীরে ধীরে গ্রুপে নিজের পরিচিতি বাড়াতে থাকুন।আর এভাবেই এক সপ্তাহের মধ্য আপনি কাজ পেতে শুরু করবেন।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কনটেন্ট রাইটিং,ওয়েব ডিজাইন,প্রোগ্রামিং,গ্রাফিক্স ডিজাইন,ফটোশপ,এসইও, ডিজিটাল সার্ভিস সহ প্রচুর কাজ আছে।এগুলোর মধ্য আপনার যে দক্ষতা আছে তাা কাজে লাগান।

ফেসবুকের মাধ্যমে শুধু াআপনি কাজ খুজে পাবেন তা কিন্তু না ,এর মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও পাবেন।তাছাড়া ফেসবুকে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সিং গ্রুপ থেকে কাজ পেলে ,আপনার ক্যাশ আউটের জন্য জটিলতায় পড়তে হবে না।াাআপনি কয়েক মিনিটেই টাকা হতে পাবেন বিকাশ,ডাচ বাংলা,রকেট অথবা নগদ এর মাধ্যমে। 

কিন্তু আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলো থেকে আপনি আপনি যে কাজগুলো পাবেন ,তার পেমেন্ট নিতে হবে পেপাল, স্কিল বা ব্যাংক এর মাধ্যমে।

ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে আপনি ফেসবুক থেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন।এক্ষত্রে প্রথম প্রথম কাজ পাওয়া যায় না।কিন্তু একবার যখন াআপনি ক্লায়েন্ট পেতে শুরু করবেন ,আপনার আয় করার মাধ্যম আরো বাড়তে থাকবে।

পরিশেষে__

আপনি যদি পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন ,তাহলে অবশ্যই এখান থেকে যেকোন একটি উপায়ে আপনি অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন খুব সহজেই।আসলে অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে অনলাইন কাজে লেগে থাকতে হবে এবং আপনার ধৈর্য থাকতে হবে। তাহলেই আপনার অনলাইন কাজ করা অনেক সহজ মনে হবে এবং আপনি অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

এই আর্টিকেলের বাইরেও অনেক অনেক উপায় আছে যা থেকে মানুষ নিয়মিত কাজ করে টাকা ইনকাম করছেন।তাই আপনিও আপনার সঠিক ধারণাকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।আর মানুষ চেষ্টা করলে সবই পারে।হয়ত এই আর্টিকেল থেকে আপনি অনলাইনে আয় করার একটি উপায় পেয়ে যেতে পারেন।

Comments

You must be logged in to post a comment.

Related Articles
Recent Articles