ই-কমার্স কি? ই কমার্সের জন্য পারফেক্ট বিজনেস প্ল্যান গুলো কেমন হওয়া উচিৎ

বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে নানা কাজ করে আয় করার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। অনলাইনে নানা কাজ করে আয় করার মধ্যে ই-কমার্স একটি অন্যতম মাধ্যম হয়ে থাকে। আজকে আমরা আমাদের আর্টিকেল এর মাধ্যমে জানবো ই-কমার্স কি? ই-কমার্স এর জন্য সেরা বিজনেস প্ল্যান কোনগুলো সে সম্পর্কে।

সূচিপত্র:

আমাদের এই আধুনিক যুগ হয়ে উঠেছে একটি অনলাইন যুগ। এই যুগের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হয়ে থাকে অনলাইন। সারা বিশ্ব আজ অনলাইনের মাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। আজ যে দেশ যতো বেশি উন্নত সে দেশ ততো বেশি অনলাইন নির্ভর হয়ে থাকে। 

প্রযুক্তির বিশেষ প্রসারতায় অনলাইন আমাদেরকে দ্রুত এগিয়ে দিয়েছে। আমাদের অধিকাংশ কাজকর্ম অনলাইনের মাধ্যমে আমরা হাতের মুঠোয় পেয়ে থাকি। অনলাইনের মাধ্যমে আমরা নিজেরা এক বিশেষ সুবিধা ভোগ করে থাকি।

আর এই অনলাইনের মাধ্যমে আমরা আমাদের বিজনেসের এক বিশেষ প্রসারতার ঘটিয়ে ফেলেছি। বর্তমান সময়ে এই অনলাইনের মাধ্যমে বিজনেস এর প্রসারতা ঘটিয়ে অধিক লাভবান হয়ে যাচ্ছি। তবে কিছু কিছু বিজনেস রয়েছে যেগুলো শুধুমাত্র অনলাইনে মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। অনলাইন সেসব বিজনেসের ক্ষেত্রে এক মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।

অনলাইনে অধিকাংশ বিজনেস ই-কমার্স বিজনেসের তালিকাভুক্ত হয়ে থাকে। প্রযুক্তির এক বিশেষ উন্নয়নের কারণে ই-কমার্স বিজনেস এক ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে বর্তমান সময়ে।

সারা বিশ্বে এই ই-কমার্স বিজনেস এর অনেক বেশি প্রসার ঘটেছে। এখন অধিকাংশ উন্নত দেশগুলোতে ই-কমার্স বিজনেস অন্যতম চাবিকাঠি হয়ে থাকে। আমাদের দেশেও এই ই-কমার্স বিজনেস অধিক মানুষের মন জয় করে নিয়েছে।

আমরা অনেকেই আছি যারা এখন এই ই-কমার্স ব্যবসার দিকে ঝুঁকে থাকি। কিন্তু সঠিক ভাবে জানাশোনার কারণে ও পরিকল্পনার অভাবে আমরা এই ব্যবসায় উন্নতি সাধন করতে পারিনা। তবে ই-কমার্স ব্যবসার সফলতা অর্জন করতে গেলে শুরু থেকে বেশ কিছু নির্দিষ্ট লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

আপনার সেই লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে আপনি সফলতা অর্জন করতে পারেন। আর এই বাস্তবায়নের জন্য আপনাকে সঠিকভাবে বিজনেস প্ল্যান করতে হবে।

এখন অনেক নতুনেরাই ই কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে ঝুঁকে পড়ছে। তাই এর বিজনেস প্ল্যান গুলো আপনাদের জানাতে গেলে শুরু থেকে এটি নিয়ে আলোচনা করাটাই ভালো হবে। আর তাই এখন আমরা জানবো ই-কমার্স কি সে সম্পর্কে। নিচে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো:

ই-কমার্স কি:

বর্তমান সময় বিজনেস করার চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনলাইনে বিজনেস করি মানুষ এখন নিজেদের বিজনেসকে এক বিশেষ ভাবে প্রসারিত করে যাচ্ছে। এই প্রসারিত করার মধ্য দিয়ে তারা অধিক লাভজনক হয়ে উঠছে।

তবে অনলাইনের মাধ্যমে যে ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে তাই ই-কমার্স ব্যবসা বলা হয়ে থাকে। আর এই ই-কমার্সের মানে হয়ে থাকে ইলেকট্রনিক কমার্স। আমাদের আধুনিক যুগে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ই-কমার্সের ব্যবসা পরিচালনা করা হয়ে থাকে। তবে যেকোনো অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা কেই ই-কমার্স ব্যবসা বলা হয়।

ই-কমার্স বিজনেস প্ল্যান কিভাবে করবেন:

বর্তমান সময়ে অনলাইন ভিত্তিক যে কোন বিজনেস কেই ই-কমার্স বিজনেস এর আওতাভুক্ত বলা চলে। ই-কমার্স বিজনেস এখন অধিক জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে। তবে যেকোনো বিজনেস এর ক্ষেত্রে প্ল্যানিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকে।

প্ল্যানিং ছাড়া কোন কাজে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হয়ে থাকে না। আপনি ই-কমার্স বিজনেস শুরু করার পথে অগ্রসর হন তবে আপনার বিজনেস কে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে ই-কমার্স বিজনেস প্ল্যানিং করা জরুরি। 

আপনি কোন কিছু হুটহাট করে শুরু করে সফল হয়ে যেতে পারবেন না। ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে এর কোন ব্যতিক্রম নেই বললেই চলে। এই ব্যবসাটি যেহেতু অনলাইন ভিত্তিক হয়ে থাকে, তাই এটি শুরু করার পূর্বে আপনাকে অনলাইনের ব্যাপারে জানাশোনা থাকতে হবে।

আপনাকে অনলাইনে বিভিন্ন বিষয়ের উপর খেয়াল রাখতে হবে। আপনি ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন, ওয়েবসাইট কিভাবে সাজাবেন, গ্রাহকের অর্ডার করা পণ্য দ্রুত তার হাতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা কিভাবে করবেন। এসব বিষয়ের প্রতি আপনার যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে।

এছাড়াও আপনার বিজনেসের পণ্যের ব্যাপারে আপনাকে এক বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আপনি কোন কোন পণ্য বিক্রি করবেন, গ্রাহকগণ কিভাবে আপনার পণ্য বা সেবা টি পেয়ে থাকবে, বিভিন্ন পণ্যে অফার এর ব্যবস্থা করা, পেমেন্ট কিভাবে নিবেন ইত্যাদি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে। 

এই সকল কাজের জন্য আপনার কি ধরনের সাপোর্টের প্রয়োজন হতে পারে তা আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি বিষয়ে আপনাকে সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। যাতে আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে কোন ঝামেলায় পড়তে না হয়।

আপনি যদি বিজনেস সম্পর্কে ভালো মতন ধারণা পেয়ে থাকেন এবং অনলাইনে বিজনেস এর ব্যাপারে যদি আপনি সঠিক ধারণা গুলো পান তাহলে এই ই-কমার্স বিজনেস আপনার কাছে কঠিন কিছু বলে মনে হবে না। ই-কমার্স বিজনেস করে আপনার সফলতা অর্জন করার জন্য আমরা বেশ কিছু উপায় আলোচনা করলাম। নিচে এ বিষয়ে আলোচনা করা হলো:

অত্যন্ত সুন্দর ও সহজ ভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করুন:

আপনি যদি ই-কমার্স বিজনেস করতে চান তাহলে আপনাকে শুরুতেই যেটি লক্ষ করতে হবে সেটি হল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা। এই ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনাকে বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে যাতে আপনার ওয়েবসাইট অত্যন্ত সুন্দর এবং সহজ ভাবে প্রস্ফুটিত হয়।

আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে গ্রাহকগণ যেন আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোন রকম ঝামেলায় না পড়ে থাকে। তারা যেন খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আপনার পণ্যগুলো দেখতে পারে এবং বিস্তারিত জানতে পারে।

পণ্যের ব্যাপারে আপনাকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে। সুন্দর ও সঠিকভাবে সবকিছু উপস্থাপন করতে হবে। যাতে গ্রাহক পণ্যের ব্যাপারে সবকিছু জেনে খুশি হয়ে আপনার পণ্যটি অর্ডার করে থাকে।

আপনার ই-কমার্স বিজনেস ওয়েবসাইট মার্কেটিং করতে হবে:

বর্তমান সময়ে ই-কমার্স বিজনেস এর চাহিদা অনেক বেড়ে গিয়েছে। অনেক নতুন নতুনেরাই  এখন ই-কমার্স বিজনেস এর দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ওয়েবসাইট গুলোর তৈরি করার পরে এবং পণ্য ভালো মতো সাজিয়ে-গুছিয়ে আপনাকে মার্কেটিং এর দিকে খেয়াল করতে হবে।

ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট মার্কেটিং করাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনাকে খুব ভালোভাবে মার্কেটিং করার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে গ্রাহকগণ আপনার সাইট পণ্য সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারে।

ই-কমার্স বিজনেস এর ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য আপনাকে খুব ভালোভাবে এবং বিভিন্ন উপায়ে মার্কেটিং করতে হবে। আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে গতানুগতিক ধারার পাশাপাশি নানা সৃজনশীল উপায় আপনাকে মার্কেটিং করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি বর্তমান অনলাইনে যুগে অনলাইন কে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করতে পারবেন।

আপনি ফেসবুকে মার্কেটিং, ইউটিউব এ মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, এসএমএস মার্কেটিং, ইত্যাদির মাধ্যমে আপনার ব্যান্ড উৎপন্নের খুব ভালোভাবে মার্কেটিং করতে পারবেন।

ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে আপনি নিজস্ব সাইট ও পণ্যের বাজার তৈরি করতে পারেন:

আপনি যদি ই-কমার্স বিজনেস করার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এসকল যাবতীয় কার্যক্রম এর মধ্যে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট ব্যান্ড ও পণ্যের বাজার আপনাকেই তৈরি করতে হবে।আপনাকে পণ্যের মান এর ব্যাপারে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। যদি আপনার পণ্যের মানের সমস্যা সৃষ্টি হয় তাহলে পরবর্তীতে গ্রাহক আপনার পণ্য কেনা থেকে দূরে থাকবে এ বিষয়ে আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। 

ই-কমার্স বিজনেস এর জন্য গ্রাহকগণের রিভিউ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকে। শুরুতে কিন্তু পণ্যটি তারা সরাসরি হাতে পায় না। আর তাই গ্রাহকগণের রিভিউ থাকলে পরবর্তীতে পণ্য বিক্রি আরো সহজ হবে।

আপনি যদি নিজস্ব ওয়েবসাইট ও পণ্যের বাজার তৈরির মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করতে চান তাহলে আপনার মোটামুটি অনেক ভালো অংকের টাকার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই সফলতা অর্জন করতে পারবেন।

ই-কমার্স বিজনেস করতে গেলে আপনাকে সঠিক সময়ে পণ্য সরবারহ করতে হবে:

ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। অনেক ই কমার্স বিজনেস এর সাইট রয়েছে এই ব্যাপারে অতটা খেয়াল করিনি। কিন্তু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে থাকে।

আপনি যদি ই-কমার্স বিজনেস করেন তাহলে আপনার সফলতা শুরুর প্রথম ধাপ হয়ে থাকবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহ করে দেওয়া। আপনি যদি নির্ধারিত সময়ে গ্রাহকের অর্ডারকৃত পণ্য সরবরাহ করে দেন তাহলে গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনের পাশাপাশি আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর এক বিশেষ বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। যা আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে সফলতা জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে থাকবে।

ই-কমার্স বিজনেস করতে গেলে কুরিয়ার সার্ভিস ব্যাবস্থা রাখুন:

আপনি যদি ই-কমার্স বিজনেস করে সফলতা অর্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে পণ্য সরবরাহের জন্য কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থা রাখতে হবে। এতে করে পনির ক্ষতির আশঙ্কা কথা ভেঙে যাওয়া, হারিয়ে যাওয়া, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। এর জন্য আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রে কুরিয়ার সার্ভিসের ব্যবস্থা রাখা এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ই-কমার্স বিজনেস শুরু করার ক্ষেত্রে গাইডলাইন এর সাহায্য নিন:

আপনি যেহেতু ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করতে চাচ্ছেন সেহেতু আপনাকে ব্যবসা শুরু করার পূর্বে এর গাইডলাইন এর উপর এক বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। হয়তো অনেকেই আছেন যারা এর পুরোপুরি গাইডলাইন না জেনে ব্যবসা শুরু করার পথে অগ্রসর হয়ে থাকেন। কিন্তু এই কাজটি করা আপনার মোটেও ঠিক হবে না।

আপনি ই-কমার্স বিজনেস কেন যে কোন বিজনেস শুরু করার দিকে অগ্রসর হলে আপনাকে সর্ব প্রথমে কি করতে হবে সেটি হলো, সেই বিজনেস এর গাইডলাইন অনুসরণ করা। ই-কমার্স বিজনেস এর ক্ষেত্রেও একই রকম। আপনি যদি উদ্যোক্তা হিসেবে সফলতা পেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে এর গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে।

আপনি এই বিজনেস শুরু করার পূর্বে আপনার নিজেকে আগে পুরোপুরি একমত হতে হবে। আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। ই-কমার্স বিজনেস এর ব্যাপারে আপনাকে পুরোপুরি ধারণা নিতে হবে। যাতে মাঝপথে যেয়ে ই-কমার্স বিজনেস এর প্রতি আপনার আগ্রহ হারিয়ে না যায়।

আপনাকে আপনার ই-কমার্স বিজনেস এর ব্যান্ডের নাম নির্ধারণ করতে হবে। এর পাশাপাশি আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন-হোস্টিং নির্বাচন করতে হবে। এবং খুব ভালোভাবে আপনাকে ওয়েবসাইটের প্ল্যাটফর্মের প্রতি অগ্রসর হতে হবে।

আপনি যদি ই-কমার্স বিজনেস করতে চান তাহলে আপনাকে প্রয়োজনীয় ট্রেড লাইসেন্স নাম নিবন্ধন ইত্যাদি ডকুমেন্ট আইনি বিষয়গুলো আগে থেকেই সমাধান করে নিতে হবে। যাতে এই বিজনেস শুরু করার পর আপনাকে কোন রকম ঝামেলায় পড়তে না হয়।

আপনি যেসব পণ্য দিয়ে  এই বিজনেস কি শুরু করবেন সেটি আপনাকে সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে। এবং আপনি সেই পণ্যটি কোথা থেকে ক্রয় করবেন সে ব্যাপারেও আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে। গ্রাহকদের ব্যাপারে সব সময় খেয়াল রাখতে হবে তার অর্ডার করা পণ্য যেন দ্রুত সময়ের মধ্যে তার হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়।

উপসংহার:

ই-কমার্স বিজনেস এর জন্য উপরে আলোচিত বিষয় গুলো এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। আপনি যদি কমার্স বিজনেস এর ব্যাপারে একদম নতুন হয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের আর্টিকেলটি আপনার এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হবে।

গ্রাহকগণ যাতে আপনার পণ্য পেয়ে খুশি হয়ে থাকে সে ব্যাপারে আপনাকে কাজ করে যেতে হবে। সাধারণত বিজনেসের ক্ষেত্রে এক নতুন ধারা তৈরী করে দিয়েছ এই  ই কমার্স বিজনেস। আপনি যদি ভালো মতন চেষ্টা করি সঠিকভাবে ধারণা নিয়ে এবং সঠিক পথে অগ্রসর হতে পারেন তাহলে আপনি ই-কমার্স বিজনেস এর মাধ্যমে সফল হবেন বলে আশা করা যায়।

আমাদের লেখা আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে দয়া করে অবশ্যই আপনার পছন্দমত যেকোন সাইটে একবার শেয়ার করবেন। আপনার করে একটি শেয়ার আমাদেরকে আরো ভালো আর্টিকেল লিখতে উৎসাহিত করবেন ধন্যবাদ।

Comments

You must be logged in to post a comment.

Related Articles
Recent Articles