স্বাস্থ্য সম্পর্কে ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস্

Earning : ৳0.000

স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানা আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত। স্বাস্থ্য সম্পর্কে না জানার কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানারকম অসুবিধা সম্মুখীন হতে হয়। আমরা আমাদের আজকের আর্টিকেলে স্বাস্থ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু টিপস সম্পর্কে আলোচনা কর।

আমাদের চ্যানেলটি সাবসক্রাইব করুন

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যদি কিছু টিপস মেনে চলি তাহলে আমাদের স্বাস্থ্য অনেকটাই সতেজ থাকবে। সুস্থ থাকার মূলমন্ত্রই হলো স্বাস্থ্য তাই বলা হয় স্বাস্থ্যই সম্পদ। স্বাস্থ্য ঠিক রাখার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস।

১. প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দুই অথবা তিন কিলোমিটার হাঁটুন। এতে মন ও প্রাণ সতেজ থাকে।

২. যখনই খাবার খাবেন তখনই ভালোভাবে চিবিয়ে খাবেন। এতে প্রাচীন ক্রিয়া ঠিক হবে।

৩. মোটা হবার প্রধান কারণ হলো মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া। তাই এ ধরনের খাবার কম খান।

৪. বেশিরভাগ সময়ে হেঁটে কাজ শারণ। এতে পায়ের মাংসপেশীর ব্যায়াম হবে। খুব প্রয়োজন না হলে লিফট না ব্যবহার করে সিঁড়িবে বেয়ে নামুন।

৫. সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা শরীরের জন্য খুব উপকারী। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি খান।

৬. মাথা ব্যাথা হলে মাছখান। মাছের তেল মাথা ব্যাথা প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী। খেতে পারেন আদা। ব্যাথা নিবারণে তা বিশেষভাবে কার্যকর।

৭. হাঁপানিতে পেঁয়াজ খান। শ্বাসনালী সংকোচন রুদের তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। পেটের পিরায় খেতে পারেন কলা আদা। আদা মর্নিং সিকনেস এবং বমি বমি ভাব দূর করে।

৮. নানা গুণের অধিকারী মধু। নানা শারীরিক সমস্যা দূর করে তাকে মধু তাই প্রতিদিন মধু খান।

৯. গরমের দিনে ঘুমানোর আগে গোসল করে নিন এতে ঘুম ভালো হবে।

১০. রাতে ডিলেঢালা পোশাক পড়ুন। শরীরের প্রত্যেক অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দিয়ে শাসন প্রক্রিয়া চালায়। তাই রাতে ঢিলেঢালা পোশাক পড়ুন।

১১. যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সকালের নাস্তা সেরে ফেলুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালে নাস্তা শরীরে বিপাকীয় কাযে সহায়তা করে।

১২. কোন সুগার এবং বেশি প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। অতিরিক্ত সুগার সকালের খাবারের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দিতে সহায়তা করে। তাই নিশ্চিত করুন যে আপনার খাবারে সুগার কম হয়েছে কিনা।

১৩. ক্যালরিযুক্ত অল্প খাবার খেলে আপনার শরীরের ওজন বেড়ে যেতে পারে। তবে শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ৩৬৫ ক্যালোরি যুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত।

১৪. সকালবেলা এমন কোন খাবার খাবেন না যেগুলো পেটে গ্যাস তৈরি করে। বরং পুষ্টিকর কিছু খাবার খান যা আপনাকে সারাদিন কার্যক্রম রাখে।

১৫. বিকেল পাঁচটার পর ভাড়ি খাবার খাবেন না।

১৬. সকালে পানি বেশি পান করুন, রাতে কম পান করুন।

১৭. ঠান্ডা পানি দিয়ে ওষুধ খাবেন না।

১৮. ওষুধ খাবার সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না।

১৯. বিরতি নিয়ে কাজ করুন। যতই তারা থাকুক না কেন প্রতি এক ঘন্টা কাজ করার পর দুই থেকে তিন মিনিট বিশ্রাম নেই। এতে মস্তিষ্ক পরিষ্কার হয় এবং সচল থাকে।

২০. সারাদিন শুয়ে বসে কাটাবেন না আবার দিনভর পরিশ্রম নয়, কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিতে হবে।

২১. শারীরিক ব্যায়ামের দিকে বেশি নজর দিন। বিশেষ করে স্টেচিং এবং যোগ ব্যায়ামের দিকে। কারণ এতে শরীরের অক্সিজেন প্রবাহের মাত্রা বেড়ে যায়।

২২. খাবারে অরুচি ও হুদা মান্দা হলে১-৩ গ্রাম আদা কষা ছাড়িয়ে মিহি করে নিন। এবং কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার করে সাত আট দিন খান।

২৩. ফল যাতে খাবার না দিয়ে খাবেন না। রাস্তা খোলা জায়গায় বিক্রি হওয়ার লেবুর রস, আখের রস  দেখাবেন না।

২৪. শ্বাসকষ্টের জন্য ঘুমের ব্যাঘাত ঘটলে কখনোই ঘুমের ওষুধ খাবেন না।

২৫. চা বা কপি পান করার পরিবর্তে গ্রিন টি পান করুন। গ্রিন টি এর এন্টি অক্সিজেন আমাদের দেহের সুরক্ষায় কাজ করে।

২৬. ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা হলে কোন খাবার বন্ধ করবেন না। খাবার স্যালাইন খান।এর সঙ্গে তরল খাবার বেশি হয়।

২৭. আপনি কম্পিউটার বা কোন এক জিনিসের উপর মনোযোগ হয় অনেক সময় তাকিয়ে থাকেন। আপনি মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলবেন এতে চোখের ক্লান্তি দূর হবে।

২৮. সারাদিন যখনই সময় পাবেন তখন জুড়ে জুড়ে অক্সিজেন নেন এবং ছাড়ুন।

২৯. দিনের বেলা ঘুম এড়িয়ে চলুন রাতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

৩০. সাধারণত জোর বা সর্দি হলে নিজে নিজে এন্টিবায়োটিক খাবেন না।

উপরের এইসব নিয়ম মেনে চললে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এবং আপনি নিজেকে অনেক সতেজ মনে করবেন মনে করবেন।

Related Articles
Comments

You must be logged in to post a comment.